দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের হাতে ফেনী পাসপোর্ট অফিসের ৪ কর্মচারীর মোবাইল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৪
  • 87 Time View

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট সেবা প্রদানে গ্রাহক হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে গ্রাহক হয়রানি ও ঘুষ লেনদেনের সত্যতা পাওয়ায় ৪ জন কর্মকর্তা কর্মচারীর মোবাইল জব্দ করেন দুদক অফিসাররা। দুদক যাদের মোবাইল জব্দ করেছেন তারা হলেন- সুপারিনটেনডেন্ট মো. জাবেদ উদ্দিন, উচ্চমান সহকারী পাপ্পু চক্রবর্তী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শারমিন আক্তার উর্মি, নিরাপত্তা প্রহরী কাম উপ পরিচালকের পিএ মোঃ আফজাল হোসেন। এসময় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক জিয়াউল হক জনির মোবাইল চেক করে ফেরত দিয়ে দেয় দুদক টিম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বিভিন্ন পাসপোর্ট অফিসের এক শ্রেণীর অসাদু কর্মকর্তা কর্মচারী পাসপোর্ট সেবা প্রদানে গ্রাহকদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করে এবং ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। ফেনী, নোয়াখালী ও চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর এনফোর্সমেন্ট এর সদস্যরা দিনভর অভিযান চালায়।
অভিযানকালে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের সদস্যরা শুরুতে সিভিল পোশাকে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন এবং অফিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরবর্তীতে দুদকের পোশাক পরে অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ৪ জনের মোবাইল জব্দ করে নিয়ে যান। অভিযানে অংশ নেয়া দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের পক্ষ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন বাংলাদেশ এর ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এই অভিযান প্রসঙ্গে উল্লেখ করে লিখেন, ফেনীসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং পাসপোর্ট পারসোনালাইজেশন সেন্টার, উত্তরা অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মচারীর বিরুদ্ধে জরুরি পাসপোর্ট, পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন ও পাসপোর্ট নবায়ন করিয়ে দেওয়ার জন্য পরষ্পর যোগসাজশে ঘুষ লেনদেন করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে একযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চাঁদপুর ও নোয়াখালী হতে একযোগে চারটি যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে এনফোর্সমেন্ট টিম উক্ত অফিসের কতিপয় কর্মচারীর সাথে দালালদের যোগসাজশের প্রাথমিক সত্যতা পায়। এ বিষয়ে অধিকতর বিশ্লেষণের নিমিত্ত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত মোবাইলের তথ্য বিশ্লেষণপূর্বক কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। অভিযান প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ পরিচালক রোতিকা সরকারকে অফিসিয়াল মোবাইল নাম্বার ০১৭৩৩ ৩৯ ৩৩ ৫৩ এ বার বার ফোন করা হলেও কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Share Button

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published.